৪১ রানের ব্যবধানে জয়ের হিসাব, রান তাড়ায় নজর রাখতে হবে ওভারেও
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কঠিন সমীকরণের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে জিম্বাবুয়ে পরাজিত হওয়ায় ফাইনালের লড়াই আবারও জমে উঠেছে। এখন শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারানোর পাশাপাশি রান ব্যবধান কিংবা রান তাড়ার গতির হিসাবও মেলাতে হবে বাংলাদেশকে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) আগে ব্যাট করে ২৯৪ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। জবাবে মাত্র ১৩৬ রানে অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ফলে বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে আফগানিস্তান যেমন ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা জোরালো করেছে, তেমনি বাংলাদেশের সামনেও সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এই জয়ে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে—দুই দলেরই জয়সংখ্যা দাঁড়িয়েছে একে। বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করছে ফাইনালে কোন দুই দল খেলবে।
বাংলাদেশকে কত রানে জিততে হবে?
বাংলাদেশ আগে ব্যাট করলে আফগানিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে। দেওয়া সমীকরণ অনুযায়ী, বাংলাদেশ ৪১ থেকে ২১৬ রানের ব্যবধানে জিতলে ফাইনালে ওঠার সুযোগ পাবে। সে ক্ষেত্রে জিম্বাবুয়ের বিদায় নিশ্চিত হবে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ৩৯ বা তার কম রানের ব্যবধানে জিতলে ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা টিকে থাকবে জিম্বাবুয়ের। আবার বাংলাদেশ ২১৮ বা তার বেশি রানের ব্যবধানে জিতলেও জিম্বাবুয়ের ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে।
অর্থাৎ, বাংলাদেশের জন্য শুধু জয়ই যথেষ্ট নয়; জয়ের ব্যবধানও গুরুত্বপূর্ণ। তবে ৪০ ও ২১৭ রানের ব্যবধানের মতো মধ্যবর্তী পরিস্থিতির হিসাব নিশ্চিত করতে সিরিজের আনুষ্ঠানিক পয়েন্ট ও নেট রানরেটের সমীকরণ যাচাই করা প্রয়োজন।
রান তাড়ায় হিসাব হবে ওভার অনুযায়ী
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করলে সমীকরণ নির্ভর করবে লক্ষ্য কত রান এবং কত ওভারের মধ্যে তা অর্জন করা হচ্ছে তার ওপর।
উদাহরণ হিসেবে, আফগানিস্তান প্রথমে ২৫০ রান করলে বাংলাদেশের লক্ষ্য হবে ২৫১। সে ক্ষেত্রে ফাইনালে ওঠার সমীকরণে এগিয়ে থাকতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রান তাড়া করে জয় নিশ্চিত করতে হবে। দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ৪১.৩ ওভারের মধ্যে লক্ষ্য পেরোনোর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
সব মিলিয়ে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচটি কার্যত ফাইনালে ওঠার লড়াই। জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যবধান ও রান তাড়ার গতি—দুই দিকেই সতর্ক থাকতে হবে টাইগারদের।